Recent Post

header ads

সাহিত্যের নোবেল কাজুও ইশিগুরোর


সাহিত্যে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন জাপানি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ লেখক কাজুও ইশিগুরো, যার ‘তীব্র আবেগমথিত’ উপন্যাসগুলো বাস্তব দুনিয়ার মায়ার আড়ালে ‘গভীর শূন্যতাকে’ উন্মোচন করেছে বলে মনে করছে নোবেল কমিটি।
বৃহস্পতিবার সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী ১১৪তম লেখক হিসেবে কাজুও ইশিগুরোর নাম ঘোষণা করে রয়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমির প্রধান সারা দানিউস বলেন, “তীব্র আবেগমথিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে দিয়ে কাজুও ইশিগুরো উন্মোচন করেছেন বাস্তব দুনিয়ার মায়ার আড়ালের গভীর শূন্যতাকে।”
এ পর্যন্ত কাজুও ইশিগুরোর আটটি বই প্রকাশিত হয়েছে, যেগুলো অনূদিত হয়েছে ৪০টি ভাষায়। তার সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস ‘দি রিমেইনস অব দি ডে’ এবং ‘নেভার লেট মি গো’র ছায়া অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রও দারুণভাবে জনপ্রিয় হয়েছে।
নোবেল জয়ের খবরে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ৬২ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, চিত্রনাট্যকার, গল্পকার বিবিসিকে বলেন, তিনি ‘আনন্দে হতবাক’।
নোবেল কমিটি যখন পুরস্কার জয়ের খবর জানাতে কাজুও ইশিগুরোর সঙ্গে যোগাযোগ করল, তিনি বিশ্বাস করতে পারছিলেন না- এটা সত্যি না গুজব।
“এটা অসাধারণ এক সম্মান। এর মানে হল, এই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ লেখকদের কাতারে আমাদে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ এক দুর্দান্ত পুরস্কার।”
কাজুও ইশিগুরো বলছেন, পৃথিবী আজ উপস্থিত হয়েছে অনিশ্চিত এক সময়ে। এই পরিস্থিতিতে সকল নোবেল পুরস্কার পৃথিবীর মঙ্গলের জন্য শক্তি যোগাবে, এটাই তার আশা।
আগামী ১০ ডিসেম্বর স্টকহোমে কাজুও ইশিগুরোর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হবে পুরস্কারের ৮০ লাখ ক্রোনার।
গত বছর সাহিত্যে নোবেল পান মার্কিন গায়ক ও গীতিকার বব ডিলান, যা চমকের জন্ম দেয়। নোবেলের ইতিহাসে এ পুরস্কারজয়ী প্রথম সংগীত শিল্পী ও গীতিকার তিনি।
সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের শেষ ইচ্ছা অনুসারে গবেষণা, উদ্ভাবন ও মানবতার কল্যাণে অবদানের জন্য প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া হয়।
শুক্রবার শান্তি এবং আগামী ৯ অক্টোবর অর্থনীতিতে এবারের নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ