মিয়ানমারে নির্যাতিত ৬ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নোবেল পুরস্কারের দাবিদার মনে করছেন অনেকে। তার দলের নেতা-কর্মীরা বলছেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন। তবে বঙ্গবন্ধু কন্যা মনে করেন, নোবেল পুরস্কার নয়, বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসাই তার কাছে সবচেয়ে বড়।
জাতিসংঘ সফর শেষে যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বাংলাদেশে তার ফেরার কথা রয়েছে। এরআগে বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় অন্যান্য দেশের প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। সেখানে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারের প্রসঙ্গটিও আসে।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, ‘নোবেল প্রসঙ্গে তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, সেটা কোনো বিষয় নয়। তিনি বলেছেন, তিনি বঙ্গবন্ধুর মেয়ে এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষের ভালোবাসাই তার সবচেয়ে বড় পাওয়া।’
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সব সময় মানবতায় বিশ্বাস করে। মানবিক দিক বিবেচনা করে মিয়ানমার ছেড়ে চলে আসতে বাধ্য হওয়া এসব লোকজনকে আশ্রয় দেয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ কখনো কোনো সমস্যা দেখে ভয় পায় না। মিয়ানমার থেকে নির্মমভাবে তাড়িয়ে দেয়া লাখ লাখ লোক বাংলাদেশে চলে আসা সত্ত্বেও এদেশ এগিয়ে যাবে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে আমরা বাঙ্গালি জাতি যুদ্ধ করে এদেশ স্বাধীন করেছি। ফলে কোনও সমস্যা দেখা দিলে আমরা কখনো ভয় পাই না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বরং এই সমস্যা মোকাবেলা করার মাধ্যমে আরো এগিয়ে যেতে চাই।’
শেখ হাসিনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে যান। অধিবেশন শেষে লন্ডনে যান প্রধানমন্ত্রী। গলব্লাডারে অস্ত্রোপচারের কারণে দেশে আসা বিলম্ব হয় তার।
জেডএইচ/





0 মন্তব্যসমূহ
ধন্যবাদ…আপনার মতামত প্রদান করার জন্য।